Thursday, 2 December 2021

chemotherapy treatment or medical business by draabdussalaam

কোনো ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীকেই কেমোথেরাপি দিয়ে পুরোপুরি রোগমুক্ত করা সম্ভব নয় (কেমো দিয়ে যাঁদেরকে ভালো করা বা সুস্থ করে তোলা হয়েছে বলে দাবি করা হয়, তাঁদের আসলে ক্যান্সার-ই হয়নি; স্রেফ ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে চিকিৎসা-ব্যবসায়ীদের বানানো কিছু মানদন্ডে ফেলে কথিত ক্যান্সার রোগী বানানো হয়), তবু এ নিয়ে বিশ্বব্যাপী হাজার হাজার কোটি টাকার ব্যবসা জমজমাট!

অথচ ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীকে মাত্র ছয় থেকে নয় মাস আগুনের স্পর্শবিহীন খাবার খাইয়ে বাঁচিয়ে রাখতে পারলেই দেহের ক্যান্সার আক্রান্ত কোষগুলো পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় (প্রকৃতির মুক্ত পশু-পাখি কখনোই আগুনের ছোঁয়াযুক্ত খাবার খায় না; সেজন্য ক্যান্সার নামক ব্যাধি তাদের ছুঁতে পারেনি)! সৃষ্টির সূচনালগ্নে হযরত আদম (আ.) আগুনের স্পর্শবিহীন জীবন্ত (প্রাকৃতিক) খাবার খেয়ে ১০০০ বছর বেঁচেছিলেন; কোনো রোগ-বালাই কিন্তু তাঁকে ছুঁতে পারেনি। দুঃখজনক ঘটনা হলো- চিকিৎসা-ব্যবসায়ীদের অর্থ, ক্ষমতা, দাপট ও প্রচার-প্রচারণার বিপরীতে এই সহজ সমাধান নিয়ে ন্যূনতম আলোচনা নেই!

কেমোথেরাপি দিয়ে কাউকে সুস্থ করে তোলা যায় না, বরং অসুস্থতা তথা মৃত্যু ত্বরান্বিত হয়! কেননা কান্সার আক্রান্ত কোষগুলো ধ্বংস করার নামে পুরো শরীরে বিষ ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে করে ক্যান্সার আক্রান্ত কিছু কোষ মরলেও অনেক ভালো কোষের অকাল মৃত্যু হয়। ফলে পুরো দেহের রোগ প্রতিরোধ সক্ষমতা কমে যায়। ওদিকে যে সকল ক্যান্সার আক্রান্ত কোষ প্রথম দফা কেমোর ছোবল থেকে রেহাই পেয়ে যায়, তাদেরকে ধ্বংস করার জন্য কিছুদিন পরে রোগীকে আবার কেমো দেওয়া হয়। এভাবে চলতেই থাকে, যতদিন পর্যন্ত রোগীর মৃত্যু না হয়- যেটা অপচিকিৎসা ছাড়া আর কিছুই নয়।

No comments:

Post a Comment